৭ দিনের মধ্যে মূসক নিবন্ধনের নির্দেশ
মোবাইল অপারেটরেগুলোকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে মূসক (ভ্যাট) নিবন্ধন দিতে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি-কে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
এর ফলে মোবাইল অপারেটরদের কাছে প্রাপ্য দ্বিতীয় প্রান্তিকের রাজস্ব জমা দেয়ার বিষয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিলো তার অবসান ঘটলো।
সূত্রমতে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকসহ টেলিযোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতিনিধিরা ছাড়াও এনবিআর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে গত ১০ জুলাই মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের রাজস্ব জমা না হওয়া প্রসঙ্গ উঠে আসে।
বৈঠকে জানানো হয়, ভ্যাট পরিশোধ নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ার কারণে গত ১০ জুলাই মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের রাজস্ব জমা হয়নি। অপারেটরগুলো ওই দিন তাদের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিলে-জুন) বিভিন্ন পাওনা যেমন অপারেটরদের রাজস্বের অংশ, সামাজিক দ্বায়বদ্ধতা তহবিল ও বাৎসরিক তরঙ্গ ফি পরিশোধ করতে গিয়েছিল। এতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো বলছে, ভ্যাট নিবন্ধন না থাকায় বিটিআরসিকে ভ্যাটের টাকা দিতে পারছেন না তারা। আর বিটিআরসি বলছে, বছর-বছর ভ্যাটসহ সরকারের পুরো পাওনা নিচ্ছেন তারা, ভ্যাট ছাড়া পাওনা পরিশোধের বিষয়ে এনবিআরের কোনো নির্দেশনাও মোবাইল ফোন অপারেটররা দেখাতে পারেনি।
এর পরিপ্রেক্ষিতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে ভ্যাট ছাড়া বিটিআরসিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকের রাজস্ব পরিশোধ করতে বলেছেন উপদেষ্টা। পরে ভ্যাট নিবন্ধন পেলে ভ্যাটের টাকাও বিটিআরসিকে দেবে অপারেটরগুলো।
বিটিআরসি এর আগে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টার নির্দেশনায় এনবিআরের কাছে ভ্যাট নিবন্ধনের আবেদন করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা ভ্যাট নিবন্ধন পাননি।
গ্রামীণফোন, রবি এবং বাংলালিংক মিলে দ্বিতীয় প্রান্তিকে সরকারের মোট পাওনা আনুমানিক ১ হাজার কোটি টাকার মতো হতে পারে। তাহলে ১৫ শতাংশ হিসেবে ১৫০ কোটি টাকার মতো ভ্যাট।